মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৫

মা

অতঃপর কর্ম ব্যাস্ত দিন শেষে 
ক্লান্ত যুবার ঘরে ফেরার যাত্রা
মাঝ পথে ডাল সম্ভারের সুবাস,
মায়ের কথা মনে পরে যাওয়া 
লোকাল বাসের ভীরে মিলিয়ে 
যাওয়া আপন অস্তিত্বের খোঁজ

ধ্রুবক

না, আর কোন পথ ওর অপেক্ষায় থাকবে না,
প্রতিক্ষারা ঘুমিয়ে যাবে ভিখেরি থালের টুং টাং শব্দে।
হয়তো সোনালী ডানার চিল ঘরে ফিরে গেলে, একা ছেলেটা
তিন রাস্তার লাল হলুদ সিগন্যালের সাথে গল্প জুড়ে দেবে, 
যে গল্পে ও ধ্রুবক..আর পাশ কাটিয়ে যাওয়া শহরটা চলমান 

সুখ ঘুম

ঝাপসা হয়ে যাও বলেই হয়তো 
এত টান, ফিরে পাওয়ার আকুলতা 
একসাথে ঝুম বৃষ্টি স্বপ্ন বলেই হয়তো
শেষ রাত্তিরের সুখ ঘুম

শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৫

ছোট কথা

Dear ময়না পাখি,
তোমার দেয়া ছোট-বড় ও মাঝারি আকারের শূন্যতাগুলো
বহাল তবিয়তেই আছে। আমার ভালোবাসার যত্ন নিয়ো
ইতি
একা বালক

মাঝ রাতের গল্পেরা রাত্রি ন'টার অপেরার হাত ধরে ঘর পালালে
না বলা কথাগুলো বরাবরের মত দাঁড়িয়ে থাকে শেষ ট্রেনের প্রতীক্ষায়

সুরমা রংয়ের মেঘমালা আদুরে আকাশের কপাল 
চুমে দিতেই কাগজের নৌকার মন খারাপ হয়ে যায় , 
খুব জোর ভেসে থাকা পর্যন্তই ইতি, ডুব সাতারটা 
কখনো শেখা হয়নি

গনিকার নির্বাক চাহুনি চকচকে কাগজে মোড়ানো 
মেকি আশ্বাসে মিলিয়ে যায় মিশমিশে আধাঁরে।
দিনের আলোয় সবটা মুছে যায় কারনে বা অকারনে,
অজান্তেই ভুলে যাওয়া দশম শ্রেনীর জ্যামিতিক চতুস্কোন উপপাদ্যের মত

উত্তরের সমীরণ মন চিরে বেরিয়ে গেলেও বুঝবি না
বালক আয়ু রেখা ধরে কতটা পথ হেঁটে গ্যাছে তোর খোঁজে
কালো সানগ্লাসের চত্তরে দিনের আলো এসে থেমে যায়,
তাতে স্বস্তি আসে তবে সুখ আসে না
Dear বালিকা,
অতঃপর সেই পাগল ছেলেটা হারিয়ে যায়
তোকে একা করে...., ভীষণ একা করে

Dear বালিকা, 
রাত প্রহরীর চোখ ফাঁকি দিয়ে 
একটা ছেলে আর আসবে না 
তোর সঙ্গি হতে..

শেষ রাতের একপশলা বৃষ্টি 
তোমায় শীত ঘুম এনে দেয়
আমার শূন্যতা জেগে থাকে
ঠিক তোমার বিপরীতে

একগুচ্ছ কাঠগোলাপ অথবা 
একটা নীল অপরাজিতা ...
গল্পটা সবসময় তোমাকে ঘিরেই

Dear বউমনি, 
শীতের রাতে উষ্ণতা নয় 
তোমার শান্ত চোখের সূর্য দীঘল 
দিঘীর জলে শীতলতা চাই 

Dear বালিকা, 
সম্পর্কের সুরতহাল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র
ভুলে যেওনা, যে বৃষ্টিটা তোমায় ছুঁয়ে দেয়
সে বৃষ্টিটা আমারও

Dear বালিকা, 
সম্পর্কের সুরতহাল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র
ভুলে যেওনা, যে বৃষ্টিটা তোমায় ছুঁয়ে দেয়
সে বৃষ্টিটা আমারও

বৃষ্টিতে আমি ভিজি, সাথে এই শহরের ফুটপাথ,
কিছু বেখেয়ালি মানুষ আর তাদের চিন্তারা....,
হয়তো তুমিও
-একা

না, নিভে যাওয়া নয়...
আমার কাছে, 
আমি না থাকা মানে তুমি না থাকা

শীতের ফাঁকে চুড়ই ভাতির মিছে ঘরকন্না
গ্রামোফোনের হাত ধরে হারিয়ে গ্যাছে আজ 
বছর দশেক হবে
জীবন এখন চকচকে ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে আঁকা
পরিপাটি তরুণীর পেছনের গল্প

কারো কাছে নতুন বছর, নতুন প্রত্যাশা...
করো কাছে শুধুই সময়ের আনাগোনা
নতুন সময় শুভ হোক

না, ষোল আনাই মিছে নয় 
বিচ্ছেদের আড়ালে, আনাড়ি এই অভিনেতা 
চিনে গ্যাছে জীবনের কানা গলি তোমার অজান্তেই

পাশ কাটিয়ে যাওয়া তোমার গন্ধমাখা আবেশ
আমার মেস বালিসে পরিণত কল্পনার ঝড় 
চায়ের কাপে লিপিস্টিক, তোমায় ছুয়ে দেবার
আর একটা চোরা পরিকল্পনা

চিরো চেনা তুমি অচেনা রুপে ফিরে আসো
সকালের শীত ঘুমে
ইতি পর্যন্ত যেহেতু পালাবদল আসে নি
তবে এবেলা নাই'বা পাল্টালে
-বউমনি

শিরায় শিরায় তোর অনুপুস্থিতির
বিপরীতে নিকোটিনের দৌরাত্তে
কখনো আমি জয়ী, কখনো তুই

না, নতুন কোন দৃশ্যপট ন্য়
প্রনয়ের ইতি টানা গল্পে নতুন 
কোন স্বপ্নের মোড় আসে না 
নতুন করে যা হয় সেটা পুরোনো
মানুষটার সাদৃশ্যতা খুঁজে ফেরার পৌনঃপুনিকতা

সুখ খুঁজে বেড়াস অন্য শরীরে 
মন ফড়িং অপেক্ষায় মারা পরে 
পুরু কাঁচের নিচে চাপা পরে 
কষ্টের ব্যাবচ্ছেদ, ছুতে চাস না, 
একটু ভেবে দেখ হয়ত ছুয়ে দিলেই
কাঠগোলাপ ফুটতো তোর কারনে

তুই বেচেঁ থাক বাতাসকে খুশি করে
আসছে বসন্তটা আমার বুকপকেটে
বন্দি থাকুক ততোক্ষণ

ফাগুন হাওয়া অবাধ্য হলে হোক
তাতে বালকের কি.. 
ফিকে পৃথিবীর নিয়ন আলো পয়ঁত্রিশ মি:মি: সাদা কলো ফ্রেম ছাড়া কিছু নয়




বউমনি অষ্টম

এইতো এভাবেই একদিন দুম করে
ধর্মঘট ডেকে বসবে দেহঘড়ি
হঠাৎ শেষ হওয়া উপন্যাসের...,
শেষ না হওয়া কথার মত কত কথা
শুয়ো পোকার শীত নিদ্রায় যাবে
জীবন...হিলিয়ামের মত মিলিয়ে যাবে উত্তরী পবনে
Dear স্রষ্টা,
যা আমার নয়, এই সংক্ষিপ্ত জীবনে
তার আসা এবং চলে যাওয়া কি এতটাই আবশ্যিক

শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

জলছাপ

গতানুগতিকতার বাইরে কোন কিছু   দীর্ঘ দিন ধরে চললে, 
এক সময় সেটাই স্বাভাবিকতা হিসেবে গণ্য হয়। সমস্যাটা হয় 
যখন সেই স্বাভাবিকতাটা আবার ফিরে আসতে চায় 

ঈশিতা 

ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দটা ঘোরটার চারদিকে চক্কর দিয়ে মিলিয়ে যায়, দরজা ঠেলে মাঝ বয়সী একজন মহিলা ঘরে ঢোকে। কাঁচা হলুদ শাড়ি পরিহিত, ঠোঁট টকটকে লাল। আয়েশি ভঙ্গিতে পান 
চিবুচ্ছেন, এ ভঙ্গিতে দীর্ঘদিনের অভ্যস্ততার ছাপ। একদম গা ঘেঁষে বসলেন, অভির বেশ অস্বস্তি
লাগতে শুরু করল
কি নাম তোমার...??
অভি 
বড়ই সুন্দর নাম 
আপনার নাম কি? 
আমার নাম বালা, কানন বালা 
বলেই মহিলা হাঁসতে শুরু করল, হাসির কোন কারণ বোঝা গেল না। একটু দম নিয়ে আবার হাসি
শুরু হল। মহিলার শরীর থেকে চাপা ঘামের গন্ধ আসছে। হঠাৎ হাসি থেমে গেল, কিছুক্ষণ তাকিয়ে
হুট করে অভিকে জড়িয়ে ধরল,অপ্রস্তুত অবস্থা থেকে নিজেকে ছাড়ানোর জন্য বাস্ত হয়ে উঠল অভি 
ছাড়ুন আমাকে, প্লিজ...
কেন খোকা, এমন করছ কেন
মহিলাকে চৌকির উপর ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে বেড়িরে আসতে উদ্যত হয় অভি
মহিলাঃ কি কাজ করবা না 
অভিঃ না 
মহিলাঃ তাহলে বকশিস দাও 
অভিঃ কেন
মহিলাঃ এখানে আসলে বকশিস দিতে হয়

রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৪

বউমনি ৬

দৃশ্যত সাবলীল, তবে প্রকৃত প্রস্তাবে কতটা 
সুখী, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রেখেই বলছি...
আসছে গ্রীষ্মের প্রতিটা কাঠ গোলাপ ফুটুক তোমার জন্য