রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৩

যে শহর চোরাবালি

যে শহরটা তোমার আমার যোগফল
সে শহরে তুমি-আমি বহুদুরে....

বউমনি দ্বিতীয়

আমার ভেতর যে তুমির বসত্
সে তুমি চির অম্লান প্রতিটি ক্ষণে
যেখানে তোমায় হারানোর ভয় মরিচিকা
সেখানে চাওয়া এবং পাওয়া কোন কিছুর
তোয়াক্কা না করেই, একে অন্যের সবসময়

বাঁধা

কাঁচের দেয়াল বৃষ্টি ফোটা ছুতে দেয় না
তার জন্য তেষ্টা জাগায়...
জল কনার জলছবি একে যায় ইচ্ছেমত
বাধ্যবাধকতায় ছোঁয়া হয় না...

জীবনের সমীকরণ...

অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য কারো অপেক্ষা...
হঠাৎ করেই তার প্রপ্তি, সেই সাথে জীবনের
পট পরিবর্তন।

অতঃপর কারনে বা অকারনে তার হারিয়ে যাওয়া
এবং অন্য কারো মাঝে তাকে খুঁজে যাওয়া।

সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

কাননবালা

দিনের আলো নিভে এলে কাননবালার
আড়মোড়া ভাঙ্গে
তারপর যত দ্রুত পারা যায়, জড়তা কাটিয়ে
ভেস পাল্টানোর তাড়া
নেশা ধরা সুগন্ধি আর গাঢ় লিপিস্টিকের
আস্তরনে নিজেকে লুকানো
আয়নার প্রতিচ্ছবি সহসাই মুচকি হাসি
দেয় অজান্তে

কানন এই হাসির অর্থ জানে না, তবে এতটুকু জানে
এ যেন আজব এক খেলা......সুখ বিক্রির খেলা......

শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

কাগজের পায়রা

কিছু কাগুজে পায়রার ওড়াউরি পলেস্তা খসে পরা কার্নিশে
নতুন কাগজের..., উহু..; একেবারে চকচকে টাকার গন্ধ,
ঘোরের ভেতর কেমন জানি চনমনে ভাব জাগায় গন্ধটা।

মেয়েটার বিয়ে দিতে হবে, ছেলেটার পড়াশুনা বন্ধ...
টং দোকানটাও মেরামত করা জরুরী, সব সমস্যার
সমাধান হয়ে যাবে এবার।

মন ভরে পায়রাগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকে মতি,
যেন সাক্ষাৎ সুখ। আচমকা বিকট একটা শব্দে
পায়রার দল উড়াল দেয়, মতি ব্যাকুল হয়ে উঠে।

মতি মিয়াঁর ঘুম ভাঙ্গে, টাকার পায়রার খোঁজ মেলে
না জগৎ সংসারে, আবার প্রতীক্ষা শুরু হয় মতির,
ঘুমের পৃথিবীর জন্য। 

রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

অপূরণ,অকারন

এ যেন কল্প-কথার নিস্তব্ধ কোন নগরি,
যার সবটুকু জৌলুস চুরি করে তুমি উধাও।
শহরের দেয়াল জুড়ে তোমায় ফিরে পাওয়ার
আকুতি আর তার উপর বিবর্তনের প্রলেপ

আমি জানি, কোন এক অমাবস্যায় নুপুরের
ঝংকারে জলসার সাঁঝবাতি আর জ্বলবেনা
তবে আমি প্রতীক্ষায় থাকব যার অন্ত নেই,
আমি চাইও না... কিছু চাওয়া পরে থাক না
বুকপকেটে, অপূরণ অকারন