রবিবার, ৫ জুলাই, ২০১৫

খোঁজ

অনেক সন্ধ্যে বেলা, আলোর পসরা সাজিয়ে বসা
লোকটা আলো খুঁজে পায় নি, কেউ এসে বলেনি 
ঘরে ফেরার সময় হলে দেরী করে ফেলো না যেন

তুমি নও

হঠাৎ করে মুখ মুখি...
সম্বিৎ ফিরে পেতেই ভুল ভাঙ্গে 
তুমি নও, তোমার মতো অবিকল 
ক্যামন জানি থমকে যাই ভীর পথে 
পাশ কাটিয়ে যাওয়া ব্যস্ত জন সমুদ্রে 
মিলিয়ে যায় তোমার মতো মানুষটা

সিগন্যাল

এ শহরতলী ছেড়ে চলে যেতে হবে একদিন 
ধোঁয়া উঠা আড্ডায় আমি আর থাকব না
ফেরারী রাতের হাত ধরে এলোমেলো পথ, 
চলতে শুরু করবে সবুজ সিগন্যাল মেনে

লাল বেনারশী

আজাকাল বেশ অচেনা লাগে আয়নায় 
নিজের প্রতিচ্ছবি
সোনালি চুলের ভীরে কিছু সফেদ চুলের 
আনাগোনা যেন হঠাৎ করেই
চল্লিশোর্ধ্ব মৃণালিনীর লাল বেনারশী,
পুরনো হচ্ছে ন্যাপথলিনের গন্ধে

পায়তারা

কত সুখের পায়তারা পিঠ পিছে নিয়ে 
ফেরি করে বেরিয়েছে পথ থেকে পথে 
কত স্বপ্ন ধোঁয়া হয়ে ছুয়ে গেছে আকাশ
হাতেম আলী বুড়ো হয়ে গেছেন, আগের
মত রাত জেগে রিকসা নিয়ে বের হন না 
তবে অচেনা মানুষগুলোর অসমাপ্ত গল্পগুলো 
খুঁজে ফেরেন অচেতন মনে, আধেক ঘুমে...

মায়া

বড় হয়ে উঠার ছলে সময় পাল্টে যাচ্ছে 
গলিপথ ভেঙ্গে চওড়া হচ্ছে, দেয়ালের রঙ্গেও
রথবদল, যেন মুছে ফেলার আপ্রান চেষ্টা
যদি বলি আগের শহরটায় মায়া ছিল ...

কই

স্বপ্ন ছিল ফাগুন দিনের বেখেয়ালি হাওয়ায়, 
স্বপ্ন ছিল শরৎ রাতে তোমার আসা-যাওয়ায়
স্বপ্ন ছিল মধ্য রাতের বর্ষা জলে সই 
এত্ত কিছুর মাঝে বল আমার আমি কই

কাঠ গোলাপ, নীল বোতাম

কাঠ গোলাপ, নীল বোতাম 
ম্যাগজিনে তোর নিলাম 
রাত দুপুর, উটকো শিষ
বান্ধু তুই ফের আসিস

প্রাপ্তি

যেখানে প্রাপ্তি আসে স্বপ্ন ছাড়া 
সেখানে স্পর্শ মানে শুধুই আসা-যাওয়া

বুধবার, ১৩ মে, ২০১৫

স্টপেজ

জানি সময় পেলেই পাল্টে যাবে শহরের পথ ঘাট।
মাঝ পুকুরের আধ ফোটা চাঁদ ফিরে যাবে নিয়ম
মাফিক, তবে বাদাম খোসা ভেঙ্গে বেরিয়ে আসা
গল্পগুলো স্থগিত থাকবে অনির্দিষ্ট কালের জন্য।


বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৫

প্রশ্ন ...??

বলতো কেন আকাশটা কালো হয়
কোন ঝড়ে ওলট- পালট হয় সবকিছু
জানিস সন্ধ্যে বেলা ঈশান কোনের
একটা তারা অভিমান করে হারিয়ে যায়
বলতো কিসের এত  অভিমান ওর

বলতো কিসের টানে মানুষ আপন পর হয়
কেন পাল্টে যায় চেনা মুখগুলো, বলতে পারিস,
এত নিয়নের ভীরে কেন একা হয় জোনাকি...?

বলনা,  কোন গঙ্গা ফড়িঙ্গের পিছে হারিয়ে গেল আমার
শৈশব, কেন পাড়ার ডানপিটে ছেলেটা হঠাৎ এত শান্ত
হয়ে গেল, কোন নিয়নের সুরে ম্লান হল ওর সবকিছু




বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০১৫

সঙ্গোপন

বৃষ্টির মাঝে ভিজছি, ভিজছে আমার চোখ্‌...
তোমার আমার ভালবাসার হচ্ছে যোগ-বিয়োগ
বিষাদের জোরে সাদাকালো হয়ে যায় রঙ্গিন ভাবনাগুলো
ভেঙ্গে খান খান স্বপ্নের খেলা ঘর, শুধু প্রানহীন ধুলো

চলে যাও, দূরে যাও, ভালোবাসা নিয়ে যাও
চলে যাও, দিয়ে দাও, আমার স্মৃতিগুলো্‌...

ব্যাস্ত শহর, ট্র্যাফিক সিগন্যাল, পাল্টে যাওয়ার পানে
আনমনা মন আটকে থাকে, কোন এক পিছু টানে।
মলিন হাওয়া, পুরোনো স্মৃতি হয়তো ক্ষণে ক্ষণে
তবু তোমায় বাসবো ভালো গভীর সঙ্গোপনে

কাঁচ পোকার গান শেষে, অবাক আবেশে,
আমার আঁকা জলপরী অন্য কোথাও ভাসে।
রাত প্রহরীর চোখের ফাঁকি, তোমার আশে পাশে
কাঠ গোলাপের শুভ্র মায়া তোমায় ভালবেসে।

চলে যাও, দূরে যাও, ভালোবাসা নিয়ে যাও
চলে যাও, দিয়ে দাও, আমার স্মৃতিগুলো...


মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৫

হিলিয়াম

এইতো এভাবেই একদিন দুম করে
ধর্মঘট ডেকে বসবে দেহঘড়ি
হঠাৎ শেষ হওয়া উপন্যাসের...,
শেষ না হওয়া কথার মত কত কথা
শুয়ো পোকার শীত নিদ্রায় যাবে
জীবন...হিলিয়ামের মত মিলিয়ে যাবে উত্তরী পবনে
Dear স্রষ্টা,
যা আমার নয়, এই সংক্ষিপ্ত জীবনে
তার আসা এবং চলে যাওয়া কি এতটাই আবশ্যিক

একা 2

উত্তরের সমীরণ মন চিরে বেরিয়ে গেলেও বুঝবি না
বালক আয়ু রেখা ধরে কতটা পথ হেঁটে গ্যাছে তোর খোঁজে
কালো সানগ্লাসের চত্তরে দিনের আলো এসে থেমে যায়,
তাতে স্বস্তি আসে তবে সুখ আসে না
Dear বালিকা,
অতঃপর সেই পাগল ছেলেটা হারিয়ে যায়
তোকে একা করে...., ভীষণ একা করে

অজান্তেই

না, ষোল আনাই মিছে নয় 
বিচ্ছেদের আড়ালে, আনাড়ি এই অভিনেতা 
চিনে গ্যাছে জীবনের কানা গলি তোমার অজান্তেই

তুই

শিরায় শিরায় তোর অনুপুস্থিতির
বিপরীতে নিকোটিনের দৌরাত্তে
কখনো আমি জয়ী, কখনো তুই

দৃশ্যপট

না, নতুন কোন দৃশ্যপট ন্য়
প্রনয়ের ইতি টানা গল্পে নতুন 
কোন স্বপ্নের মোড় আসে না 
নতুন করে যা হয় সেটা পুরোনো
মানুষটার সাদৃশ্যতা খুঁজে ফেরার পৌনঃপুনিকতা

মন ফড়িং অপেক্ষা

সুখ খুঁজে বেড়াস অন্য শরীরে 
মন ফড়িং অপেক্ষায় মারা পরে 
পুরু কাঁচের নিচে চাপা পরে 
কষ্টের ব্যাবচ্ছেদ, ছুতে চাস না, 
একটু ভেবে দেখ হয়ত ছুয়ে দিলেই
কাঠগোলাপ ফুটতো তোর কারনে

চতুস্কোন

গনিকার নির্বাক চাহুনি চকচকে কাগজে মোড়ানো 
মেকি আশ্বাসে মিলিয়ে যায় মিশমিশে আধাঁরে।
দিনের আলোয় সবটা মুছে যায় কারনে বা অকারনে,
অজান্তেই ভুলে যাওয়া দশম শ্রেনীর জ্যামিতিক চতুস্কোন উপপাদ্যের মত

রাত প্রহরীর

Dear বালিকা, 
রাত প্রহরীর চোখ ফাঁকি দিয়ে 
একটা ছেলে আর আসবে না 
তোর সঙ্গি হতে..

পয়ঁত্রিশ মি:মি:

ফাগুন হাওয়া অবাধ্য হলে হোক
তাতে বালকের কি.. 
ফিকে পৃথিবীর নিয়ন আলো পয়ঁত্রিশ মি:মি: 
সাদা কলো ফ্রেম ছাড়া কিছু নয়

সুখ ঘুম ১

মিথ্যে হয়ে গ্যাছে দেয়া কথা 
জানি তোর ব্যাস্ত শহরে ফুরসত
পেলেই ভোর আযানে এপিক
স্মৃতিরা আলো হয়ে ফোটে 
বিশ্বাস কর পরে থাকা শেফালীকা 
আঙ্গুল ছোঁয়ার শেষ চাওয়ায় সমঝোতা
চায় না, ওরা বুকের ভাঁজে সুখ ঘুম খোঁজে

রানওয়ে

দিন শেষে সাধ ও সাধ্যের মাঝে
একা একজন 
সাধগুলো একটু একটু করে জমা
হয় বুক পকেটে
সাধ্যেরা উড়ে যায় রানওয়ে ছেড়ে
বহুদুরে বিপরীতে

মুখো মুখি

পৃথিবীটা গোল, মুখো মুখি হতেই পারি
সে লোভটা সামলে নিয়ে চলে গেলাম

বাধ্য মেয়ে

সাইকেল প্যাডেলে ভর করে স্কুল পলাতক
ছেলেটার সবকিছু তোর জন্য
মাধ্যমিকের বাধ্য মেয়েটা বুঝেও অবুঝ
ভাব, ভীষণ খুশী অন্তরে
তুমি ও তোমাদের ভালবাসার গল্পগুলো বেঁচে থাক
সব সময়ের জন্য

সংযোজন

এমন কত দুঃখই তো রাত কুরে খায় 
হলে না হয় একটা নতুন সংযোজন

একা...

Dear বালিকা,
ফিরে দেখ, পিছু নেয়া ফাগুন হাওয়া 
তোমায় ছেড়ে গ্যাছে কিছু না বলেই
বিলবোর্ডের পরিপাটি তরুণীর 
মাঝ রাতের মত তুমিও ভীষন
একা...

প্রতিজ্ঞা

কথা দিলাম, 
ভোরের আলো ঘরে ফেরার আগেই 
থেমে যাবে তোর আমার আত্মকথন। 
চৌরাশিয়ার সুর আঁকবে না কাজল তোর
চোখের কোণে, 
তুই সুখ খুঁজে নিস বদ্ধ ঘরে

পার্ক স্ট্রিট

Dear বালিকা, 
ততক্ষণে মেট্রোর থার্ড রেল পার্ক স্ট্রিট
ছেড়ে ছক কষা গন্তব্য পথের পথিক
শেষ প্রতীক্ষার সাথে দেখা হবে নিশ্চয়... 
তোমার স্মিত হাসিটাকে ওর সঙ্গি করে দিও

হাওয়া বদল

তুই জানতিস
একদিন হাওয়া বদলে পাল্টে যাবে
মন শহরের পথঘাট
আমার পরিবর্তনের খবরটা পেলাম
স্রস্টার উদ্দেশ্য যদি তার সামনে শির অবনত হয়, আমি উদ্দেশ্যহীন হই কিভাবে

তুমি ও সে

Dear ময়নাপাখি, 
তুমি এখন অনেক পেছনের গল্প
জানতো, পুরোনো খবরের কাগজে
ঝাল চানাচুর বিকয়, গরম খবর না

স্বপ্ন

বালিকার আত্মকেন্দ্রিক ভালোবাসা পাঁচতারা
রেস্তোরাঁর বায়স্কোপ। 
আমিও স্বপ্ন দেখি লোকাল বাসের ঘামের গন্ধে, 
ট্র্যাফিক সিগন্যালে।

বালক ও রঙ

ওহে অবুঝ বালক, 
যার জন্য এত রঙিন ছবির
আকিবুকি সারা বেলা
সে রং বোঝে তো..??

এই যে তুমি

এই যে আমার প্রতীক্ষার মুহূর্তগুলোকে মিথ্যে
করে দিয়ে চুপ চাপ তুমি, সেই তোমাকেই বলি, 
সম্ভাবনাগুলো হিলিয়ামের মতন, একবার হাত
ছারা হলে আর পিছু ফেরে না... 
আর হ্যাঁ, ফাগুন হাওয়া প্রেমিক হলে শ্রাবণের টা অবাধ্য

মা

অতঃপর কর্ম ব্যাস্ত দিন শেষে 
ক্লান্ত যুবার ঘরে ফেরার যাত্রা
মাঝ পথে ডাল সম্ভারের সুবাস,
মায়ের কথা মনে পরে যাওয়া 
লোকাল বাসের ভীরে মিলিয়ে 
যাওয়া আপন অস্তিত্বের খোঁজ

ধ্রুবক

না, আর কোন পথ ওর অপেক্ষায় থাকবে না,
প্রতিক্ষারা ঘুমিয়ে যাবে ভিখেরি থালের টুং টাং শব্দে।
হয়তো সোনালী ডানার চিল ঘরে ফিরে গেলে, একা ছেলেটা
তিন রাস্তার লাল হলুদ সিগন্যালের সাথে গল্প জুড়ে দেবে, 
যে গল্পে ও ধ্রুবক..আর পাশ কাটিয়ে যাওয়া শহরটা চলমান 

সুখ ঘুম

ঝাপসা হয়ে যাও বলেই হয়তো 
এত টান, ফিরে পাওয়ার আকুলতা 
একসাথে ঝুম বৃষ্টি স্বপ্ন বলেই হয়তো
শেষ রাত্তিরের সুখ ঘুম

শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৫

ছোট কথা

Dear ময়না পাখি,
তোমার দেয়া ছোট-বড় ও মাঝারি আকারের শূন্যতাগুলো
বহাল তবিয়তেই আছে। আমার ভালোবাসার যত্ন নিয়ো
ইতি
একা বালক

মাঝ রাতের গল্পেরা রাত্রি ন'টার অপেরার হাত ধরে ঘর পালালে
না বলা কথাগুলো বরাবরের মত দাঁড়িয়ে থাকে শেষ ট্রেনের প্রতীক্ষায়

সুরমা রংয়ের মেঘমালা আদুরে আকাশের কপাল 
চুমে দিতেই কাগজের নৌকার মন খারাপ হয়ে যায় , 
খুব জোর ভেসে থাকা পর্যন্তই ইতি, ডুব সাতারটা 
কখনো শেখা হয়নি

গনিকার নির্বাক চাহুনি চকচকে কাগজে মোড়ানো 
মেকি আশ্বাসে মিলিয়ে যায় মিশমিশে আধাঁরে।
দিনের আলোয় সবটা মুছে যায় কারনে বা অকারনে,
অজান্তেই ভুলে যাওয়া দশম শ্রেনীর জ্যামিতিক চতুস্কোন উপপাদ্যের মত

উত্তরের সমীরণ মন চিরে বেরিয়ে গেলেও বুঝবি না
বালক আয়ু রেখা ধরে কতটা পথ হেঁটে গ্যাছে তোর খোঁজে
কালো সানগ্লাসের চত্তরে দিনের আলো এসে থেমে যায়,
তাতে স্বস্তি আসে তবে সুখ আসে না
Dear বালিকা,
অতঃপর সেই পাগল ছেলেটা হারিয়ে যায়
তোকে একা করে...., ভীষণ একা করে

Dear বালিকা, 
রাত প্রহরীর চোখ ফাঁকি দিয়ে 
একটা ছেলে আর আসবে না 
তোর সঙ্গি হতে..

শেষ রাতের একপশলা বৃষ্টি 
তোমায় শীত ঘুম এনে দেয়
আমার শূন্যতা জেগে থাকে
ঠিক তোমার বিপরীতে

একগুচ্ছ কাঠগোলাপ অথবা 
একটা নীল অপরাজিতা ...
গল্পটা সবসময় তোমাকে ঘিরেই

Dear বউমনি, 
শীতের রাতে উষ্ণতা নয় 
তোমার শান্ত চোখের সূর্য দীঘল 
দিঘীর জলে শীতলতা চাই 

Dear বালিকা, 
সম্পর্কের সুরতহাল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র
ভুলে যেওনা, যে বৃষ্টিটা তোমায় ছুঁয়ে দেয়
সে বৃষ্টিটা আমারও

Dear বালিকা, 
সম্পর্কের সুরতহাল আনুষ্ঠানিকতা মাত্র
ভুলে যেওনা, যে বৃষ্টিটা তোমায় ছুঁয়ে দেয়
সে বৃষ্টিটা আমারও

বৃষ্টিতে আমি ভিজি, সাথে এই শহরের ফুটপাথ,
কিছু বেখেয়ালি মানুষ আর তাদের চিন্তারা....,
হয়তো তুমিও
-একা

না, নিভে যাওয়া নয়...
আমার কাছে, 
আমি না থাকা মানে তুমি না থাকা

শীতের ফাঁকে চুড়ই ভাতির মিছে ঘরকন্না
গ্রামোফোনের হাত ধরে হারিয়ে গ্যাছে আজ 
বছর দশেক হবে
জীবন এখন চকচকে ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে আঁকা
পরিপাটি তরুণীর পেছনের গল্প

কারো কাছে নতুন বছর, নতুন প্রত্যাশা...
করো কাছে শুধুই সময়ের আনাগোনা
নতুন সময় শুভ হোক

না, ষোল আনাই মিছে নয় 
বিচ্ছেদের আড়ালে, আনাড়ি এই অভিনেতা 
চিনে গ্যাছে জীবনের কানা গলি তোমার অজান্তেই

পাশ কাটিয়ে যাওয়া তোমার গন্ধমাখা আবেশ
আমার মেস বালিসে পরিণত কল্পনার ঝড় 
চায়ের কাপে লিপিস্টিক, তোমায় ছুয়ে দেবার
আর একটা চোরা পরিকল্পনা

চিরো চেনা তুমি অচেনা রুপে ফিরে আসো
সকালের শীত ঘুমে
ইতি পর্যন্ত যেহেতু পালাবদল আসে নি
তবে এবেলা নাই'বা পাল্টালে
-বউমনি

শিরায় শিরায় তোর অনুপুস্থিতির
বিপরীতে নিকোটিনের দৌরাত্তে
কখনো আমি জয়ী, কখনো তুই

না, নতুন কোন দৃশ্যপট ন্য়
প্রনয়ের ইতি টানা গল্পে নতুন 
কোন স্বপ্নের মোড় আসে না 
নতুন করে যা হয় সেটা পুরোনো
মানুষটার সাদৃশ্যতা খুঁজে ফেরার পৌনঃপুনিকতা

সুখ খুঁজে বেড়াস অন্য শরীরে 
মন ফড়িং অপেক্ষায় মারা পরে 
পুরু কাঁচের নিচে চাপা পরে 
কষ্টের ব্যাবচ্ছেদ, ছুতে চাস না, 
একটু ভেবে দেখ হয়ত ছুয়ে দিলেই
কাঠগোলাপ ফুটতো তোর কারনে

তুই বেচেঁ থাক বাতাসকে খুশি করে
আসছে বসন্তটা আমার বুকপকেটে
বন্দি থাকুক ততোক্ষণ

ফাগুন হাওয়া অবাধ্য হলে হোক
তাতে বালকের কি.. 
ফিকে পৃথিবীর নিয়ন আলো পয়ঁত্রিশ মি:মি: সাদা কলো ফ্রেম ছাড়া কিছু নয়




বউমনি অষ্টম

এইতো এভাবেই একদিন দুম করে
ধর্মঘট ডেকে বসবে দেহঘড়ি
হঠাৎ শেষ হওয়া উপন্যাসের...,
শেষ না হওয়া কথার মত কত কথা
শুয়ো পোকার শীত নিদ্রায় যাবে
জীবন...হিলিয়ামের মত মিলিয়ে যাবে উত্তরী পবনে
Dear স্রষ্টা,
যা আমার নয়, এই সংক্ষিপ্ত জীবনে
তার আসা এবং চলে যাওয়া কি এতটাই আবশ্যিক